প্রিয় বই রচনা

প্রিয় বই

সূচনা: বই হলো মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু। অবসর সময়ে একটি ভালো বই বন্ধুর মতোই আমাদের পাশে থেকে সঙ্গ দেয়। কিছু কিছু বইয়ে এমন সব গুণ থাকে পাঠকের হৃদয়ে দোলা দেয়। আর সে ধরনের বই হয় পাঠকের কাছে সবচেয়ে প্রিয়।

আমার প্রিয় বই: আমি নানা ধরনের বই পড়তে ভালোবাসি। তবে রোমাঞ্চকর বই পড়তেই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে। আমার পড়া সবচেয়ে প্রিয় বই হলো ‘চাঁদের পাহাড়’। এটি মূলত রোমাঞ্চকর কিশোর উপন্যাস।

প্রিয় হওয়ার কারণ: ‘চাঁদের পাহাড়’ উপন্যাসের কাহিনি এক বাঙালি অভিযাত্রীর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এর নায়ক শঙ্কর রায় চৌধুরী রোমাঞ্চের খোঁজে তার গ্রামের এক অধিবাসীর সহায়তায় আফ্রিকার দুর্গম স্থানে যায়। সেখানে মানুষখেকো সিংহের সঙ্গে তার যুদ্ধ হয়। তারপর আফ্রিকার বিষাক্ত সাপ ব্ল‍্যাক মাম্বা তার উপর আক্রমণ করে। এখানেই সে পর্তুগিজ অভিযাত্রী ডিয়েগো আলভারেজের দেখা পায়। তারা হীরার খনির সন্ধানে বের হয়। পথে তাদের জলন্ত আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু করে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ভয়ংকর জন্তু বুনিপ তার বন্ধু আলভারেজকে মেরে ফেলে। সে মনের অজান্তেই হীরার গুহা খুঁজে পায়। গুহায় পথ হারিয়ে অনেক কষ্টে সে বের হয়। সে সঙ্গে করে কিছু পাথর নিয়ে আসে। আসলে সে পাথর ছিল কাঁচা হীরা। এভাবে পুরো উপন্যাসটিই নানা রোমাঞ্চকর ঘটনায় পরিপূর্ণ। এই অসাধারণ বইটি একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করে ওঠা যায় না। আর এ কারণেই বইটি আমার প্রিয়।

উপসংহার: আমার এই ছোটো জীবনে আমি বেশকিছু বই পড়ে ফেলেছি। তবে ‘চাঁদের পাহাড়’ বইটির মতো আর কোনো বইকে এত আপন বলে মনে হয়নি। সারা জীবন বইটি আমার পড়া বইগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় একটি বই হয়ে থাকবে।

দিপ্ত পাল

দিপ্ত পাল

আমি দিপ্ত কুমার পাল। কিডস স্কুল বাংলাদেশ ইউটিউব চ্যানেলের প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক। ইংরেজি এবং গণিত বিষয়ের ভিডিও লেসনগুলো আমার তৈরি।

সকল ক্লাস