গ্রন্থাগার রচনা
গ্রন্থাগার
ভূমিকা: গ্রন্থাগার বললে অনেক সময় আমাদের বুঝতে কষ্ট হয়। কিন্তু লাইব্রেরি বললে অতি সহজেই বুঝতে পারি। কিছু কিছু বিদেশি শব্দ এভাবেই আমাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। বন্তুত লাইব্রেরির বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে গ্রন্থাগার।
বিবরণ: গ্রন্থাগার কথাটি বললেই আমাদের চোখে বই আর বইয়ের স্তূপ ছাড়া অন্য কিছু ভাসে না। আসলেই তাই। যেখানে বিশেষ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন লেখোকের অসংখ্য বই একসাথে সংরক্ষণ করা হয় তাকে গ্রন্থাগার বলে। আমাদের সমাজে দু’ধরনের গ্রন্থাগার রয়েছে। যেমন- ১। শুধু পড়ার জন্য বইপত্রের সংরক্ষণ, ২। বিক্রেয়ের জন্য বইপত্রের সংরক্ষণ।
উপকারিতা: গ্রন্থাগারে প্রচুর বই থাকে। এগুলো পাঠ করেই আমরা জ্ঞান লাভ করি। মনীষীগণ গ্রন্থাগারকে জ্ঞানের ভাণ্ডার বলেছেন। কাজেই গ্রন্থাগারের উপকারিতার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই।
উপসংহার: সভ্যতার ক্রমবিকাশে আজকের বাস্তবতায় গ্রামেগঞ্জেও গ্রন্থাগার গড়ে উঠেছে। আবার গড়ে ওঠেছে ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারও। শুধু তাই নয়; এসব গ্রন্থাগারে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ নিয়মিত বই পড়ছে এবং নিজ নিজ জ্ঞানের পরিধি বাড়াচ্ছে। অতএব, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।