ইচ্ছামতী কবিতার মূলভাব
‘ইচ্ছামতী’ কবিতাটিতে কবির কল্পনাপ্রবণতা, নদী ও প্রকৃতির প্রতি গভীর মুগ্ধতা অত্যন্ত সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কবির স্বাধীনতা পেলে ইচ্ছামতী নদী হতে চান। কবি নিজে নদী হলে দুই পারের সাথে মনের সব কথা বলতে পারবেন। প্রতিদিন নদীতে আসা মানুষের আনাগোনা, গোরু-মহিষের স্নান, জলের উপর সূর্যের আলোর নাচন এবং রাতের নীরবতার রূপকে তিনি খুব কাছ থেকে অনুভব করতে পারবেন। এই কবিতায় নদী ও তার চারপাশের প্রকৃতির সঙ্গে কবির গভীর ভালোবাসার সম্পর্কটি প্রকাশ পেয়েছে।