পাট রচনা
পাট
ভূমিকা: পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা পাট উৎপাদনকারী একটি দেশ। তাই পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।
বর্ণনা: পাট গাছের বাকলের আঁশ থেকে পাট হয়। এটি ৯ থেকে ১০ হাত পর্যন্ত লম্বা হয়। পাট সাধারণত ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে চাষ করা হয়। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে এটি কাটা হয়। পাট কেটে আঁটি বেঁধে পানির নিচে ডুবিয়ে রাখতে হয়। তারপর পানিতে রাখার কয়েক দিন পর ধুয়ে রোদে শুকালে পাট হয়।
কোথায় জন্মে: পৃথিবীর প্রায় ৭৫ ভাগ পাট বাংলাদেশে জন্মে। এছাড়া ভারত, থাইল্যান্ড, চীন ও আমেরিকায় পাট উৎপন্ন হয়।
পাটের প্রকারভেদ: বাংলাদেশে দুই ধরনের পাট চাষ হয়। যেমন- ১. বগীপাট ও
২. তোষাপাট। বগীপাট উচু জমিতে ও তোষাপাট নিচু জমিতে চাষ হয়।
পাটের ব্যবহার: আমাদের দেশে পাট অনেক ব্যবহৃত হয়। পাট থেকে চট, দড়ি, বস্তা, থলে, কার্পেট ইত্যাদি তৈরি হয়।
পাট চাষের জমি: পাট সাধারণত নিচু জমিতে চাষাবাদ করা হয়। পানিযুক্ত মাটিতে পাট প্রচুর পরিমাণে জন্মে।
উপসংহার: পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। এ কারণে সোনার সাথে তুলনা করা হয়েছে। বর্তমানে পাটের দাম কম। তাই পাটকে বাঁচাতে সরকারি ও বেসরকারি সচেতন মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।